Who We Are
Purohit Groups is Hindu puja service, Wedding ceremony and Astrology Services. We provide experienced Purohits for you who will come to your house and do the puja. You will also find lots of knowledge and details on puja on this website. So if you are looking for purohit or want to have puja at your place !!.
Will Get Services
Our Activity
আমরা বিবাহ ,অন্নপ্রাশন ,উপনয় ,শ্রাদ্ধ ,ত্রিবেদীয় দশবিদ সংস্কার ,মৃতে এক পাদ ,দ্বি -পাদ,ত্রি-পাদ,চতুষ-পাদ দোষ নিবারণ।নতুন গৃহ প্রবেশ,বস্তূ যোগ ,বস্তূ দোষ ,জোতিষ,বিচার,ত্রন্ত্র মতে প্রতিকার করা হয়। আপনার সাধ্য মতো কাজ করা হয়ে পুরো সততার সাথে।
We have done reform marriage, food processing, uplift, tribal, tragedy.According to the new house entry, material added, material defect, potteries, justice and tranquility, the remedy is made. Acting as you can with full honesty.
Services
Purohit Service
আমরা বিবাহ ,অন্নপ্রাশন ,উপনয় ,শ্রাদ্ধ ,ত্রিবেদীয় দশবিদ সংস্কার ,মৃতে এক পাদ ,দ্বি -পাদ,ত্রি-পাদ,চতুষ-পাদ দোষ নিবারণ। (We have done reform marriage, food processing, uplift, tribal, tragedy.)
Astrology Service
Tona (টোনা),Totka (টোটকা),Tipsa (টিপস),Provide Rudraksha (রুদ্রাক্ষ),Provide Coral Stone (প্রবাল),Judgment of brief horoscope (ঠিকুজি বিচার)According to the remedy system (তন্ত্র মতে প্রতিকার)
Our Working Field Services
Marriage (বিবাহ),All Type Of Worship (পূজা ),House Warming(গৃহ প্রবেশ )
Other Activity
Full marriage package,Any occasion video and still photography,Any occasion welcome event boy and girl
The Tantra
Page 1
তন্ত্র কে সংস্কৃতে বলা হয়েছে ‘তন’ শব্দের অর্থ তনু ‘এ’ শব্দের অর্থ ত্রান বা রক্ষা। নিজেকে রক্ষা করাকে বলে তন্ত্র l আয়ুর্বেদ, প্রদার্থবিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, মন্ত্রের অনুষ্ঠান, কর্মযোগ, প্রাণায়াম, ধ্যানযোগ, ষট্কর্ম, ইত্যাদি সাধনা। ষট কর্মকি? ১.শান্তিকর্ম ২.বশীকরণ ৩.স্তম্ভন ৪.বিদ্ধেষণ ৫.উচ্চাটন ৬.মারন ১. শান্তিকর্ম- যেকোনো শুভকর্ম গ্রহদোষ রোগব্যাধি উন্নতি প্রাপ্তিযোগ l ২. বশীকরণ- যে কর্মের সাহায্যে সবাইকে বশীভূত করা হয়। ৩. স্তম্ভন- যে কর্মের দ্বারা প্রবৃতি রোধ হয় তাকে স্তম্ভন বলে । ৪. বিদ্ধেষণ- যে কর্মের দ্বারা উভয় প্রাণী বিদ্বেষণ জন্মায় । ৫. উচ্চাটন- যে কর্মের দ্বারা কাউকে নিজগৃহ বা দেশ হইতে বিতাড়িত করা ৬. মারন - যে কর্মের দ্বারা জীবগনের প্রাণনাশ করা হয়।
ষটকর্মের দেবতা কে ? ১. শান্তিকর্মের দেবতা রতি l ২. বশীকরণের দেবতা সরস্বতী l ৩. স্তম্ভন এর দেবতা রমা বগলামুখী l ৪. বিদ্বেষণের দেবতা জ্যেষ্ঠা l ৫. উচ্চাটনের দেবতা দুর্গা l ৬. মারনের দেবতা কালি l ষটকর্মের দিক কি? ১. শান্তিকর্মের জন্য উত্তরদিক ও ঈশানকোনের দিক ২. বশীকরনের জন্য পূর্বদিক ৩. স্তম্ভনের জন্য পশ্চিম দিক ৪. বিদ্ধেষণের জন্য দক্ষিণ দিক ৪. উচ্চাটণের জন্য বায়ুকোন দিক ৫. মারনের জন্য নৈঋত কোন দিক ষটকর্মের দীক্ষা ১. মন্ত্রদীক্ষ ২. শাক্তাভিষেক ৩. পূর্ণাভিষেক কর্তব্য । কোন কার্যে কি করনীয় ? ১. যেকোনো কামনা সিদ্ধির জন্য শাক্তাভিষেক । ২. দীর্ঘায়ু ও রোগ মোচনের জন্য মৃত্যুঞ্জয় শিবপূজা কবচ ধারন । ৩. মৃতবৎসা ও বন্ধ্যাজন্য ইন্দ্রাভিসেক । ৪. শত্রু জয়ার্থে চন্ডোগ্র শূলপাণি পূজা ও আয়ুর্বেদ ওষুধ সেবন । ৫. রুস্ঠ গ্রহ তুষ্ট করিবার রোগনাস্বার্থে তুলসীদান । ৬. বালকের ভয় অপনোদনার্থ জন্য নৃসিংহ প্রয়োগ, কবজ ধারণ । ৭. চতুর্বর্গ লাভারর্থ জন্য বেদক্ত শিবপূজা । ৮. জ্বরাদি রোগ নাশার্থে মহেশ্বর প্রায়েগ ও জ্বর পূজা । ৯. পুষ্কর দোষ নাশের জন্য পুষ্কর শান্তি বিধি । ১০. জটিল রোগাদি নাস্বার্থ পঞ্চাঙ্গ সস্ত্যয়ন । ১১. গ্রহদোষ নাশার্থ গ্রহাভিষেক পূজা । ১২. মর্কদ্দমনাদি শত্রু দমনার্থ মা বগলামুখী প্রয়োগ । ১৩. সুসন্তান লাভের জন্য রাম প্রয়োগ ১৪. সন্তান লাভার্থে সন্তান গোপাল মন্ত্র প্রয়োগ । ১৫. নবজাত সন্তান রক্ষার্থে জাতা পহারিনী পূজা । ১৬. বন্ধ্যাদোষ নাস্বার্থে রক্তমাদ্রী পূজা । ১৭. যেকোন মন্ত্র সিদ্ধির জন্য পুরশ্চরণ । ১৮. কবচ ধারণ রত্ন ধারণ যন্ত্র , প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও সংস্কার প্রয়োগ । মালা রুদ্রাক্ষ ধারণ জন্য ১৯. গৃহেদোষ শান্তি - শান্তিস্বস্ত্যয়ন । ২০. আত্মঘাতির সদ্গতির জন্য নারায়ণ ঘাগবলি । ২১. বিদ্যাবুদ্ধি লাভ করার জন্য নীল সরস্বতী কবচ ধারণ । ২২. ধন অর্থ ব্যবসা চাকরির জন্য ধনদা কবচ যন্ত্র, মন্ত্র । ২৩. চতুর্বর্গ লাভার্থ ও শান্তির জন্য ধর্ম অর্থ কাম মোক্ষ দীক্ষাগ্রহণ । ২৪. নতুন গৃহে বা ফ্যাটে বসবাস করার জন্য বাস্তুঘাগ ও গৃহপ্রবেশ । ২৫. পুরানো গৃহনির্মাণ ও সংস্কার জন্য শান্তিস্বস্ত্যয়ন । ২৬. মৃতব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য একপাদ, দ্বিপাদ, তৃপাদ, চতুষ্পাদ, দোষ, শান্তি, পঞ্চাঙ্গ স্বস্ত্যয়ন এবং যথাযথ শ্রাদ্ধকার্য করণীয় ।
Page 2
বশীকরণ
সর্ববশীকরণ ওঁ lš²¡চামূণ্ডে (নাম) মে বশমনায় স্বাহা । ওঁ হ্রীং হ্রীং হ্রীং ফট্ । ১) বিধি:-শ্বেতআকন্দ এর মূল পুষ্যানক্ষত্রে তুলে গোমূত্র দ্বারা পিষে উক্তমন্ত্র ১০৮ বার পাঠ করিলে বিশ্বজগৎ বশীভূত হয় । ২) বিধি - ভূর্জপাত্রে কুমকুম দিয়ে লিখে নতুন সরায় রেখে তার উপর আরেকটি সরা ঢাকা দিয়ে আগুনে বসাতে হবে যখন যন্ত্রটি জ্বলে ছাই হয়ে যাবে তখন নামিয়ে ঠাণ্ডা করবে সেই ছাইকে খাবারের সাথে খাওয়াবেন সেই বশীভূত হবে । পতিবশীকরণ ৩. ওঁ কামমালিনি পতির্মে বশমনায় স্বাহা । ১০৮ জপ করে নিতে হবে বিধি- গো রচনা সহিত রুইমাছের পিত্ত একসঙ্গে পেষন করে নিজের প্রতি কপালে তিলক দিয়ে বশীভূত করা যায় তিলক দানের পর ওঁ কামাতুরা কামমেখলা বীলাসিনী নবমী (নাম) বংশকুরু ক্লীং নমঃ । দুপুরে খাবার আগে ২৮ বার জপ করবে । নিজে খেতে বসবে উক্ত দুটি মন্ত্র প্রতিদিন ২৮ বার জপ করিবে । সপরিবার বশীকরণ ৪. ওঁ মাহেশ্বর্য্যৈ নমঃ ।। বিধি:- নিজের চার আঙুল মেপে কদম গাছের ডাল কেটে উক্তমন্ত্র শনিবার অথবা সোমবার ১০০৮ বার জব করে ঘর গৃহে পুতে বা লুকিয়ে ফেলে দেবে তার সপরিবার বশীভূত হবে l ৫. ওঁ নাং হ্রীং (নাম) (যাকে বশ করবে তার নাম) সম বশমানায় স্বাহা । বিধি:- সর্পের হাড়ে কর্পূর লাল চন্দন নিজের অনামিকা আঙ্গুলের রক্ত দিয়ে উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার জপে যার ঘরে পুতে লুকিয়ে ফেলে দিবে সেই পরিবার বশীভূত হবে ।
স্তম্ভন
কোন বিপদে না পড়লে ব্যবহার করবেন না । ওঁ হ্রীঁঁ রক্ষচামুন্ডে কুরু কুরু কুরু (নাম) মে বশমনায় স্বাহা । ১) উক্তমন্ত্র ১০ লক্ষ বার জপ করিলে সিদ্ধ হইবে । তারপর পলাশ বৃক্ষের মূল সাদা সুতা দিয়ে সাতবার বেষ্টন করে নিজের মুখে রেখে শত্রুর কাছে গেলে সত্রুর মুখ স্তম্ভন হয় ২) পুষ্যানক্ষত্রে রক্ত আপাং মূল এনে ১০০৮ বার জপ করে ডান হাতে ধারণ করলে শত্রু আক্রমণ করতে পারে না । ৩) উক্তমন্ত্র ভুঙ্গরাজ, আপাংমূল, সেতসরিষা, বচ সেত আকন্দ এর মূল একটি লোহার পাত্রে সংস্থাপন করে কোন লোহা দিয়ে পিষে কোন প্রকারে শত্রুর মাথায় ছড়িয়ে দিলে তার বুদ্ধির স্তম্ভন হয় । ৪) ওঁ হ্লীং বগলামুখী সর্বদুষ্টানাং বাচাং মুখং স্তম্ভয়জিহ্বাং কিলয়কীলয় বুদ্ধিং বিনাশয় হ্লীং ওঁ স্বাহা ।। বিধি:-বগলামুখীর ছবির সামনে হলুদ ফুল হলুদ ফল হলুদ মিষ্টি হলুদ নয়ন মন্ত্র শত্রুকে চিন্তা করতে করতে ১০০৮ বার জপ করিবে । তাহলে দুষ্ট শত্রুর মুখ স্তম্ভন হবে । ৫) ওঁ হ্রীং রক্ষচামুন্ডে কুরু কুরু সভাস্ৎ সর্বজনস্যমুখং স্তম্ভয় স্তম্ভয় স্বাহা । বিধি:- শুভ মুহূর্তে 1008 বার জব করে সিদ্ধ করে নিতে হবে তারপর প্রসার রক্ষার্থে যষ্টি মধুর মূল হাতে নিয়ে একশ আট বার উক্ত মন্ত্র পাঠ করে মিটিং সভায শত্রু থাকলে শত্রুর মুখ স্তম্ভন হয় ।
বিদ্বেষণ
বিদ্বেষণ দুজনের মধ্যে বিরোধ ও শত্রুতা জন্ম দেয় । কোন দ্বেষ বসত এর প্রয়োগ করা উচিত নয় । ১) প্রেমিক - প্রেমিকার বিদ্বেষণ:- pJ e¡n Bcn …l¦ L¡, BLt¡Lc¡e¡ he l¡Dz fË¢jLl e¡j/ fË¢jL¡l e¡j œÉ¡up£L¡l SÉ¡up L¥L¡l A¿¹l ¢hm¡Dz বিধি:- শনিবার দিন ১০০০০ বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে । পরে শনিবার দিন থেকে আরম্ভ করে সাতদিন পর্যন্ত তারিখের ৭ টি পাতার ওপর মন্ত্রটি লিখে আগুনে জ্বালাবে এইভাবে ৭ দিন করলে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে বিরোধিতা জন্মাবে । ২) Jy ej¡ e¡l¡ue¡u (f¤l¦o/Ù»£) pq ¢hàowL¥l¦ ü¡q¡ বিধি:- বিড়াল ও ইঁদুরের মল সংগ্রহ করে পুরুষ / স্ত্রীর পায়ের ধুলো বা মাটি নিতে হবে । তার সঙ্গে সাধারণ মাটি মিশিয়ে পুতুল তৈরি করে নীল চেলি জড়িয়ে ১০৮ বার উক্ত মন্ত্রটি জপ করে শ্মশানে গিয়ে পুটে দিলে দুজনের মধ্যে বিদ্বেষণ হবে স্বামী – স্ত্রী প্রেমিক – প্রেমিকা দু'বন্ধুর মধ্যে এই কাজ করা যাবে । ৩) Jy L¡m °ilh£ c¢hL (f¤l¦oS¡¢al e¡j/Ù»£ S¡¢al e¡j) p¢qa ¢hµRcu, ¢hµRcu, ¢hoju, ¢hoju,L¥l¦¢Q i¡h, c¡e¡u c¡e¡u L¥l¦ L¥l¦ ü¡q¡z বিধি:- শনিবার বা মঙ্গলবার সাদা ভুজ্যপাত্রে শ্মশানের চিতার কালোচাই এনে কালি তৈরি করে মন্ত্রটি লিখতে হবে তারপর উক্ত মন্ত্র টি ১০০৮ বার জপ করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে হবে । কাজটি ছেড়া কাপড় পড়ে করতে হবে কাজটি শেষ করে ছেড়া কাপড় ফেলে ধোয়া কাপড় পড়তে হবে স্নান করে । (স্বামী/স্ত্রী) (প্রেমিক/প্রেমিকা) - র মধ্যে কাজ করতে হয় ।
Page 3
উচ্চাটন
উচ্চাটন ১) HL¡¿¹ clL¡l h¡ ¢hfc e¡ f¢lm HC L¡kÑ L¢lhez jq¡ f¡fz Jy ýyw q¨yw(e¡j/N¡œ) œ²£w Ww Wxzz বিধি:- মানুষের ১১ আঙুল পরিমাণ ১০০৮ বার মন্ত্র জপ করে ঘরে গৃহে পুঁতে বা ফেলে দিবে তার সপরিবার উচ্চাটন হবে । ২) Jy ej¡ iNha l¦â¡u cwøÊ¡ml¡mu (e¡j/N¡œ) Nf¤œ h¡å°h pq qe qe cq cq fQ fQ n£OËw EµQ¡Vu EµQ¡Vu ýw gV ü¡q¡ Wx Wxz বিধি:- কাকের পাখা এনে উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার জপ করে শত্রুর গৃহে পুঁতে বা গুঁজে দিলে উচ্চাটন হবে । ৩) নিমকাঠের চার আঙুল পরিমাণ তিলক তৈরি করে ১০০৮ বার জপ করে উক্তমন্ত্র সিদ্ধ করে নিয়ে শত্রুর গৃহে পুঁতে বা গুঁজে দিলে উচ্চাটন হবে । ৪) পেঁচার পাখনা এনে মঙ্গলবার দিন উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার জপ করে শত্রুর গৃহে পুঁতে দিলে উচ্চাটন হবে । ৫) ওঁ নমো ভীমাস্যায় (নাম/গোত্র) গৃহে উচ্চাঠন কুরু কুরু স্বাহা । বিধি:- যেখানে গাধা শুয়ে থাকে সেখানের মাটি বা ধুলা c¤f¤l 2 V¡l সময় পশ্চিম দিকে মুখ করে মাটি এনে ১০০৮ বার উক্ত মন্ত্রজপ করে শত্রুর গৃহে ছড়িয়ে দিলে শত্রুর উচ্চাটন হবে । বি:দ্র:- উচ্চাটন কর্ম নিজের গৃহে করিতে নেই । যে কোনো মন্দির দেবালয় জলাশয়ের ধারে শ্মশানে বা কোন নির্জন স্থানে করিতে হয়
Page 4
মারনকার্য
মারনকার্য একে পাপকার্য বলা হয়েছে এই কার্য যতক্ষণ জীবন সংশয় না হয় ততোক্ষণ পর্যন্ত ভুলেও এর প্রয়োগ করা উচিত নয় । Jy ejx L¡ml¦f¡u nœ² iØj£ L¥l¦ ü¡q¡z ১) বিধি:- কাকের পালক ও পান্জা নিয়ে তার সঙ্গে কুশ হাতে নিয়ে উক্ত মন্ত্র জপ করতে করতে ২১ বার তর্পন করলে শত্রুর মারণ হয় । আগে ১০০০০ বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে । ২) সাপের হাড়ের চূর্ণ করে ১০৮ বার উক্ত মন্ত্র জপ করে শত্রুর গায়ে ছড়িয়ে দিলে মারণ কার্য হয় । ৩) উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার মানুষের হাড়ের চুর্ণ কাউকে খাবারের সাথে দিলে তার মারণ কার্য হয় । ৪) কালো ধুতরা বিজ চূর্ণ করে তারসাথে চিতার কয়লা মিশিয়ে ১০৮ বার জপ করে ঘরে গায়ে ছড়িয়ে বা খাওয়ানো যায় তার মারণ কার্য হয় । ৫) পেচার বিষ্ঠা ও বিষচূর্ণ করে ১০৮ বার মন্ত্র জপ করে শত্রুর গায়ে ছড়িয়ে দিলে মারণ কার্য হয় ।
Page 1
তন্ত্র কে সংস্কৃতে বলা হয়েছে ‘তন’ শব্দের অর্থ তনু ‘এ’ শব্দের অর্থ ত্রান বা রক্ষা। নিজেকে রক্ষা করাকে বলে তন্ত্র l আয়ুর্বেদ, প্রদার্থবিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, মন্ত্রের অনুষ্ঠান, কর্মযোগ, প্রাণায়াম, ধ্যানযোগ, ষট্কর্ম, ইত্যাদি সাধনা। ষট কর্মকি? ১.শান্তিকর্ম ২.বশীকরণ ৩.স্তম্ভন ৪.বিদ্ধেষণ ৫.উচ্চাটন ৬.মারন ১. শান্তিকর্ম- যেকোনো শুভকর্ম গ্রহদোষ রোগব্যাধি উন্নতি প্রাপ্তিযোগ l ২. বশীকরণ- যে কর্মের সাহায্যে সবাইকে বশীভূত করা হয়। ৩. স্তম্ভন- যে কর্মের দ্বারা প্রবৃতি রোধ হয় তাকে স্তম্ভন বলে । ৪. বিদ্ধেষণ- যে কর্মের দ্বারা উভয় প্রাণী বিদ্বেষণ জন্মায় । ৫. উচ্চাটন- যে কর্মের দ্বারা কাউকে নিজগৃহ বা দেশ হইতে বিতাড়িত করা ৬. মারন - যে কর্মের দ্বারা জীবগনের প্রাণনাশ করা হয়।
ষটকর্মের দেবতা কে ? ১. শান্তিকর্মের দেবতা রতি l ২. বশীকরণের দেবতা সরস্বতী l ৩. স্তম্ভন এর দেবতা রমা বগলামুখী l ৪. বিদ্বেষণের দেবতা জ্যেষ্ঠা l ৫. উচ্চাটনের দেবতা দুর্গা l ৬. মারনের দেবতা কালি l ষটকর্মের দিক কি? ১. শান্তিকর্মের জন্য উত্তরদিক ও ঈশানকোনের দিক ২. বশীকরনের জন্য পূর্বদিক ৩. স্তম্ভনের জন্য পশ্চিম দিক ৪. বিদ্ধেষণের জন্য দক্ষিণ দিক ৪. উচ্চাটণের জন্য বায়ুকোন দিক ৫. মারনের জন্য নৈঋত কোন দিক ষটকর্মের দীক্ষা ১. মন্ত্রদীক্ষ ২. শাক্তাভিষেক ৩. পূর্ণাভিষেক কর্তব্য । কোন কার্যে কি করনীয় ? ১. যেকোনো কামনা সিদ্ধির জন্য শাক্তাভিষেক । ২. দীর্ঘায়ু ও রোগ মোচনের জন্য মৃত্যুঞ্জয় শিবপূজা কবচ ধারন । ৩. মৃতবৎসা ও বন্ধ্যাজন্য ইন্দ্রাভিসেক । ৪. শত্রু জয়ার্থে চন্ডোগ্র শূলপাণি পূজা ও আয়ুর্বেদ ওষুধ সেবন । ৫. রুস্ঠ গ্রহ তুষ্ট করিবার রোগনাস্বার্থে তুলসীদান । ৬. বালকের ভয় অপনোদনার্থ জন্য নৃসিংহ প্রয়োগ, কবজ ধারণ । ৭. চতুর্বর্গ লাভারর্থ জন্য বেদক্ত শিবপূজা । ৮. জ্বরাদি রোগ নাশার্থে মহেশ্বর প্রায়েগ ও জ্বর পূজা । ৯. পুষ্কর দোষ নাশের জন্য পুষ্কর শান্তি বিধি । ১০. জটিল রোগাদি নাস্বার্থ পঞ্চাঙ্গ সস্ত্যয়ন । ১১. গ্রহদোষ নাশার্থ গ্রহাভিষেক পূজা । ১২. মর্কদ্দমনাদি শত্রু দমনার্থ মা বগলামুখী প্রয়োগ । ১৩. সুসন্তান লাভের জন্য রাম প্রয়োগ ১৪. সন্তান লাভার্থে সন্তান গোপাল মন্ত্র প্রয়োগ । ১৫. নবজাত সন্তান রক্ষার্থে জাতা পহারিনী পূজা । ১৬. বন্ধ্যাদোষ নাস্বার্থে রক্তমাদ্রী পূজা । ১৭. যেকোন মন্ত্র সিদ্ধির জন্য পুরশ্চরণ । ১৮. কবচ ধারণ রত্ন ধারণ যন্ত্র , প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও সংস্কার প্রয়োগ । মালা রুদ্রাক্ষ ধারণ জন্য ১৯. গৃহেদোষ শান্তি - শান্তিস্বস্ত্যয়ন । ২০. আত্মঘাতির সদ্গতির জন্য নারায়ণ ঘাগবলি । ২১. বিদ্যাবুদ্ধি লাভ করার জন্য নীল সরস্বতী কবচ ধারণ । ২২. ধন অর্থ ব্যবসা চাকরির জন্য ধনদা কবচ যন্ত্র, মন্ত্র । ২৩. চতুর্বর্গ লাভার্থ ও শান্তির জন্য ধর্ম অর্থ কাম মোক্ষ দীক্ষাগ্রহণ । ২৪. নতুন গৃহে বা ফ্যাটে বসবাস করার জন্য বাস্তুঘাগ ও গৃহপ্রবেশ । ২৫. পুরানো গৃহনির্মাণ ও সংস্কার জন্য শান্তিস্বস্ত্যয়ন । ২৬. মৃতব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য একপাদ, দ্বিপাদ, তৃপাদ, চতুষ্পাদ, দোষ, শান্তি, পঞ্চাঙ্গ স্বস্ত্যয়ন এবং যথাযথ শ্রাদ্ধকার্য করণীয় ।
Page 2
বশীকরণ
সর্ববশীকরণ ওঁ lš²¡চামূণ্ডে (নাম) মে বশমনায় স্বাহা । ওঁ হ্রীং হ্রীং হ্রীং ফট্ । ১) বিধি:-শ্বেতআকন্দ এর মূল পুষ্যানক্ষত্রে তুলে গোমূত্র দ্বারা পিষে উক্তমন্ত্র ১০৮ বার পাঠ করিলে বিশ্বজগৎ বশীভূত হয় । ২) বিধি - ভূর্জপাত্রে কুমকুম দিয়ে লিখে নতুন সরায় রেখে তার উপর আরেকটি সরা ঢাকা দিয়ে আগুনে বসাতে হবে যখন যন্ত্রটি জ্বলে ছাই হয়ে যাবে তখন নামিয়ে ঠাণ্ডা করবে সেই ছাইকে খাবারের সাথে খাওয়াবেন সেই বশীভূত হবে । পতিবশীকরণ ৩. ওঁ কামমালিনি পতির্মে বশমনায় স্বাহা । ১০৮ জপ করে নিতে হবে বিধি- গো রচনা সহিত রুইমাছের পিত্ত একসঙ্গে পেষন করে নিজের প্রতি কপালে তিলক দিয়ে বশীভূত করা যায় তিলক দানের পর ওঁ কামাতুরা কামমেখলা বীলাসিনী নবমী (নাম) বংশকুরু ক্লীং নমঃ । দুপুরে খাবার আগে ২৮ বার জপ করবে । নিজে খেতে বসবে উক্ত দুটি মন্ত্র প্রতিদিন ২৮ বার জপ করিবে । সপরিবার বশীকরণ ৪. ওঁ মাহেশ্বর্য্যৈ নমঃ ।। বিধি:- নিজের চার আঙুল মেপে কদম গাছের ডাল কেটে উক্তমন্ত্র শনিবার অথবা সোমবার ১০০৮ বার জব করে ঘর গৃহে পুতে বা লুকিয়ে ফেলে দেবে তার সপরিবার বশীভূত হবে l ৫. ওঁ নাং হ্রীং (নাম) (যাকে বশ করবে তার নাম) সম বশমানায় স্বাহা । বিধি:- সর্পের হাড়ে কর্পূর লাল চন্দন নিজের অনামিকা আঙ্গুলের রক্ত দিয়ে উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার জপে যার ঘরে পুতে লুকিয়ে ফেলে দিবে সেই পরিবার বশীভূত হবে ।
স্তম্ভন
কোন বিপদে না পড়লে ব্যবহার করবেন না । ওঁ হ্রীঁঁ রক্ষচামুন্ডে কুরু কুরু কুরু (নাম) মে বশমনায় স্বাহা । ১) উক্তমন্ত্র ১০ লক্ষ বার জপ করিলে সিদ্ধ হইবে । তারপর পলাশ বৃক্ষের মূল সাদা সুতা দিয়ে সাতবার বেষ্টন করে নিজের মুখে রেখে শত্রুর কাছে গেলে সত্রুর মুখ স্তম্ভন হয় ২) পুষ্যানক্ষত্রে রক্ত আপাং মূল এনে ১০০৮ বার জপ করে ডান হাতে ধারণ করলে শত্রু আক্রমণ করতে পারে না । ৩) উক্তমন্ত্র ভুঙ্গরাজ, আপাংমূল, সেতসরিষা, বচ সেত আকন্দ এর মূল একটি লোহার পাত্রে সংস্থাপন করে কোন লোহা দিয়ে পিষে কোন প্রকারে শত্রুর মাথায় ছড়িয়ে দিলে তার বুদ্ধির স্তম্ভন হয় । ৪) ওঁ হ্লীং বগলামুখী সর্বদুষ্টানাং বাচাং মুখং স্তম্ভয়জিহ্বাং কিলয়কীলয় বুদ্ধিং বিনাশয় হ্লীং ওঁ স্বাহা ।। বিধি:-বগলামুখীর ছবির সামনে হলুদ ফুল হলুদ ফল হলুদ মিষ্টি হলুদ নয়ন মন্ত্র শত্রুকে চিন্তা করতে করতে ১০০৮ বার জপ করিবে । তাহলে দুষ্ট শত্রুর মুখ স্তম্ভন হবে । ৫) ওঁ হ্রীং রক্ষচামুন্ডে কুরু কুরু সভাস্ৎ সর্বজনস্যমুখং স্তম্ভয় স্তম্ভয় স্বাহা । বিধি:- শুভ মুহূর্তে 1008 বার জব করে সিদ্ধ করে নিতে হবে তারপর প্রসার রক্ষার্থে যষ্টি মধুর মূল হাতে নিয়ে একশ আট বার উক্ত মন্ত্র পাঠ করে মিটিং সভায শত্রু থাকলে শত্রুর মুখ স্তম্ভন হয় ।
বিদ্বেষণ
বিদ্বেষণ দুজনের মধ্যে বিরোধ ও শত্রুতা জন্ম দেয় । কোন দ্বেষ বসত এর প্রয়োগ করা উচিত নয় । ১) প্রেমিক - প্রেমিকার বিদ্বেষণ:- pJ e¡n Bcn …l¦ L¡, BLt¡Lc¡e¡ he l¡Dz fË¢jLl e¡j/ fË¢jL¡l e¡j œÉ¡up£L¡l SÉ¡up L¥L¡l A¿¹l ¢hm¡Dz বিধি:- শনিবার দিন ১০০০০ বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে । পরে শনিবার দিন থেকে আরম্ভ করে সাতদিন পর্যন্ত তারিখের ৭ টি পাতার ওপর মন্ত্রটি লিখে আগুনে জ্বালাবে এইভাবে ৭ দিন করলে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে বিরোধিতা জন্মাবে । ২) Jy ej¡ e¡l¡ue¡u (f¤l¦o/Ù»£) pq ¢hàowL¥l¦ ü¡q¡ বিধি:- বিড়াল ও ইঁদুরের মল সংগ্রহ করে পুরুষ / স্ত্রীর পায়ের ধুলো বা মাটি নিতে হবে । তার সঙ্গে সাধারণ মাটি মিশিয়ে পুতুল তৈরি করে নীল চেলি জড়িয়ে ১০৮ বার উক্ত মন্ত্রটি জপ করে শ্মশানে গিয়ে পুটে দিলে দুজনের মধ্যে বিদ্বেষণ হবে স্বামী – স্ত্রী প্রেমিক – প্রেমিকা দু'বন্ধুর মধ্যে এই কাজ করা যাবে । ৩) Jy L¡m °ilh£ c¢hL (f¤l¦oS¡¢al e¡j/Ù»£ S¡¢al e¡j) p¢qa ¢hµRcu, ¢hµRcu, ¢hoju, ¢hoju,L¥l¦¢Q i¡h, c¡e¡u c¡e¡u L¥l¦ L¥l¦ ü¡q¡z বিধি:- শনিবার বা মঙ্গলবার সাদা ভুজ্যপাত্রে শ্মশানের চিতার কালোচাই এনে কালি তৈরি করে মন্ত্রটি লিখতে হবে তারপর উক্ত মন্ত্র টি ১০০৮ বার জপ করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে হবে । কাজটি ছেড়া কাপড় পড়ে করতে হবে কাজটি শেষ করে ছেড়া কাপড় ফেলে ধোয়া কাপড় পড়তে হবে স্নান করে । (স্বামী/স্ত্রী) (প্রেমিক/প্রেমিকা) - র মধ্যে কাজ করতে হয় ।
Page 3
উচ্চাটন
আমার দরকার বা বিপদে না পড়িলে এই কার্য করিবেন।মহা পাপ বিধি:- মানুষের ১১ আঙুল পরিমাণ ১০০৮ বার মন্ত্র জপ করে ঘরে গৃহে পুঁতে বা ফেলে দিবে তার সপরিবার উচ্চাটন হবে । Jy ej¡ iNha l¦â¡u cwøÊ¡ml¡mu (e¡j/N¡œ) Nf¤œ h¡å°h pq qe qe cq cq fQ fQ n£OËw EµQ¡Vu EµQ¡Vu ýw gV ü¡q¡ Wx Wxz ২) Jy ej¡ iNha l¦â¡u cwøÊ¡ml¡mu (e¡j/N¡œ) Nf¤œ h¡å°h pq qe qe cq cq fQ fQ n£OËw EµQ¡Vu EµQ¡Vu ýw gV ü¡q¡ Wx Wxz বিধি:- কাকের পাখা এনে উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার জপ করে শত্রুর গৃহে পুঁতে বা গুঁজে দিলে উচ্চাটন হবে । ৩) নিমকাঠের চার আঙুল পরিমাণ তিলক তৈরি করে ১০০৮ বার জপ করে উক্তমন্ত্র সিদ্ধ করে নিয়ে শত্রুর গৃহে পুঁতে বা গুঁজে দিলে উচ্চাটন হবে । ৪) পেঁচার পাখনা এনে মঙ্গলবার দিন উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার জপ করে শত্রুর গৃহে পুঁতে দিলে উচ্চাটন হবে । ৫) ওঁ নমো ভীমাস্যায় (নাম/গোত্র) গৃহে উচ্চাঠন কুরু কুরু স্বাহা । বিধি:- যেখানে গাধা শুয়ে থাকে সেখানের মাটি বা ধুলা c¤f¤l 2 V¡l সময় পশ্চিম দিকে মুখ করে মাটি এনে ১০০৮ বার উক্ত মন্ত্রজপ করে শত্রুর গৃহে ছড়িয়ে দিলে শত্রুর উচ্চাটন হবে । বি:দ্র:- উচ্চাটন কর্ম নিজের গৃহে করিতে নেই । যে কোনো মন্দির দেবালয় জলাশয়ের ধারে শ্মশানে বা কোন নির্জন স্থানে করিতে হয়
Page 4
মারনকার্য
মারনকার্য একে পাপকার্য বলা হয়েছে এই কার্য যতক্ষণ জীবন সংশয় না হয় ততোক্ষণ পর্যন্ত ভুলেও এর প্রয়োগ করা উচিত নয় । Jy ejx L¡ml¦f¡u nœ² iØj£ L¥l¦ ü¡q¡z ১) বিধি:- কাকের পালক ও পান্জা নিয়ে তার সঙ্গে কুশ হাতে নিয়ে উক্ত মন্ত্র জপ করতে করতে ২১ বার তর্পন করলে শত্রুর মারণ হয় । আগে ১০০০০ বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে । ২) সাপের হাড়ের চূর্ণ করে ১০৮ বার উক্ত মন্ত্র জপ করে শত্রুর গায়ে ছড়িয়ে দিলে মারণ কার্য হয় । ৩) উক্তমন্ত্র ১০০৮ বার মানুষের হাড়ের চুর্ণ কাউকে খাবারের সাথে দিলে তার মারণ কার্য হয় । ৪) কালো ধুতরা বিজ চূর্ণ করে তারসাথে চিতার কয়লা মিশিয়ে ১০৮ বার জপ করে ঘরে গায়ে ছড়িয়ে বা খাওয়ানো যায় তার মারণ কার্য হয় । ৫) পেচার বিষ্ঠা ও বিষচূর্ণ করে ১০৮ বার মন্ত্র জপ করে শত্রুর গায়ে ছড়িয়ে দিলে মারণ কার্য হয় ।